ঈমানী দুর্বলতার কারণ





মানুষকে কখনো কখনো গাফলতি পেয়ে বসে তখন তার ঈমান দুর্বল হয়ে যায়। এর প্রতিকার হচ্ছে- অধিক পরিমাণে ইসতিগফার করা, সর্বদা আল্লাহর যিকির করা, বুঝে বুঝে ও স্থিরমনে কুরআন তেলাওয়াত করা, কুরআন অনুযায়ী আমল করা। এর মাধ্যমে অন্তরের গাফলতি দূর করা যাবে, অন্তরকে সজাগ রাখা যাবে। সুতরাং আল্লাহর দোহাই অধিক হারে নেকির কাজ করুন।



ঈমানী দুর্বলতার অনেকগুলো কারণ আছে; যেমন-

এক: আল্লাহর নাম ও গুণাবলী সম্পর্কে অজ্ঞতা ঈমানের কমতি অবধারিত করে দেয়। কারণ যে মানুষ আল্লাহর নাম ও গুণাবলি জানে না তার ঈমানে ঘাটতি থাকে।

দুই: আল্লাহর কাউনি (চিরায়ত) ও শরয়ি নিদর্শন নিয়ে চিন্তা-ভাবনা না করা। এর ফলে ঈমানের কমতি ঘটে। নিদেনপক্ষে এর ফলে ঈমানে জড়তা আসে, ঈমান বৃদ্ধি পায় না।

তিন: গুনাতে লিপ্ত হওয়া। কারণ মানুষের অন্তর ও ঈমানের উপর গুনাহর অনেক নেতিবাচক প্রভাব রয়েছে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয় সাল্লাম বলেছেন: “কোন যিনাকারী যখন যিনা করে তখন তার ঈমান থাকে না”[সহিহ বুখারি (২৪৭৫) ও সহিহ মুসলিম (৫৭)]

চার: আল্লাহর আনুগত্য ত্যাগ করা। কারণ আল্লাহর আনুগত্য ত্যাগ ঈমানে কমতির কারণ। যদি অনাদায়কৃত আনুগত্যটি ফরজ শ্রেণীর হয় এবং বিনা ওজরে সেটা ত্যাগ করা হয় তাহলে এর জন্য বান্দাকে তিরস্কার করা হবে ও শাস্তি দেয়া হবে। আর যদি ফরজ শ্রেণীর না হয় অথবা ওজরের কারণে ত্যাগ করে থাকে তাহলে সেটাও ঈমানের কমতি; কিন্তু এর জন্য তিরস্কার করা হবে না।[শাইখ উছাইমীনের ফতোয়া ও পুস্তিকাসমগ্র (১/৫২)]

কোন মন্তব্য নেই

dem10 থেকে নেওয়া থিমের ছবিগুলি. Blogger দ্বারা পরিচালিত.